টেকসই ধূমপানমুক্ত গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সক্ষমতা বৃদ্ধি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এর উদ্যোগে এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন-এর সহযোগিতায় মোট ৭৫০ জন গণপরিবহন চালককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি এপ্রিল ২০২৬ মাসে পাঁচটি ধাপে রাজধানীর জোয়ার সাহারা বিআরটিসি বাস ডিপোতে “পেশাজীবী গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ” শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সংস্থাটির তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার অদুত রহমান ইমন অংশগ্রহণকারী চালকদের সামনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন এবং তামাকের স্বাস্থ্যগত ক্ষতি বিষয়ে তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। এছাড়া, গত ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে পাসকৃত সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬ সম্পর্কেও বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।
এই প্রশিক্ষণে বাস, সিএনজি, লেগুনা ও টেম্পু চালকসহ অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব, তামাক ব্যবহারের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করা হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, চালক ও সহকারীদের ধূমপানের কারণে গণপরিবহনে যাত্রীরা—বিশেষ করে নারী ও শিশুরা—পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন, যা তাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে।
প্রশিক্ষণে ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে গণপরিবহনে ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, নৌবন্দর এবং সরকারি বিভিন্ন অফিসসহ সকল পাবলিক প্লেস ও গণজমায়েত স্থানে ধূমপান আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ—এ বিষয়েও সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গণপরিবহনে ধূমপানমুক্ত নীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং আচরণগত পরিবর্তন আনয়নে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি এপ্রিল ২০২৬ মাসে পাঁচটি ধাপে রাজধানীর জোয়ার সাহারা বিআরটিসি বাস ডিপোতে “পেশাজীবী গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ” শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সংস্থাটির তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার অদুত রহমান ইমন অংশগ্রহণকারী চালকদের সামনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন এবং তামাকের স্বাস্থ্যগত ক্ষতি বিষয়ে তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। এছাড়া, গত ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে পাসকৃত সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬ সম্পর্কেও বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।
এই প্রশিক্ষণে বাস, সিএনজি, লেগুনা ও টেম্পু চালকসহ অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব, তামাক ব্যবহারের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করা হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, চালক ও সহকারীদের ধূমপানের কারণে গণপরিবহনে যাত্রীরা—বিশেষ করে নারী ও শিশুরা—পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন, যা তাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে।
প্রশিক্ষণে ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে গণপরিবহনে ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, নৌবন্দর এবং সরকারি বিভিন্ন অফিসসহ সকল পাবলিক প্লেস ও গণজমায়েত স্থানে ধূমপান আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ—এ বিষয়েও সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গণপরিবহনে ধূমপানমুক্ত নীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং আচরণগত পরিবর্তন আনয়নে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।
ঢাকা প্রতিনিধি: